• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

মা-ছেলের পর প্রাণ গেল অনাগত সন্তানের

dhakaসিসি নিউজ : ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনের গেটে অ্যাম্বুলেন্স চাপায় গর্ভের সন্তান মারা যাওয়ার পর এবার চলে গেলেন মা আমেনা বেগমও। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ জনে। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান তিনি। আমেনার আরেক শিশু সন্তান সজীবও (৮) আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
এর আগে আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে ঘটা এই দুর্ঘটনায় মা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। এঁরা হলেন গোলিনুর বেগম (২৫) ও তাঁর শিশু সন্তান সাকিব (৭)। নিহত আরেক ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। তাঁর বয়স আনুমানিক ৬০ বছর। দুর্ঘটনার পর অ্যাম্বুলেন্সের চালক সোহেলকে আটক করে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সটিও জব্দ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় সাকিব ও অজ্ঞাত এক ব্যক্তি। এরপর বেলা তিনটায় সাকিবের মা গোলিনুর বেগম মারা যান। আহত আমেনা বেগমের গর্ভের সন্তানটি মারা গেলেও তিনি আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। আমেনার স্বামী জাকির হোসেন একজন ট্রাক চালক। গত ২৫ আগস্ট চট্টগ্রামে তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দুর্ঘটনার পর দিশেহারা জাকির। জাকির হোসেন জানালেন, স্ত্রী আমেনা বেগম ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। হাসপাতালে স্ত্রীই তাঁকে দেখাশোনা করছিলেন। ছেলে ছোট হওয়ায় সেও হাসপাতালে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকত। আজ সকালে আমেনা ছেলে সজীবকে নিয়ে তাঁর জন্য নাশতা কিনে আনতে হাসপাতালের প্রবেশ পথে গিয়েছিলেন। সেই সময়ই তাঁরা অ্যাম্বুলেন্সের নিচে চাপা পড়েন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ